টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তন

3,463 total views, 2 views today

সম্প্রতি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটিই হল পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় সেল্ফ ফিন্যান্সড ইউনিভার্সিটি। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের নিরিখে অবশ্য প্রথম সেল্ফ ফিন্যান্সড ইউনিভার্সিটি এটি।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল কেশরী নাথ ত্রিপাঠী, ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাধারণ সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন অরুন্ধতী ভট্টাচার্য, পদ্মশ্রী বিবেক দেবরায়, সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ, দেবাশিস সেন সহ টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ গৌতম রায় চৌধুরী।

রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী সমাবর্তন বক্তৃতায় বলেন, “পৃথিবীর যে কটি দেশে খুব দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হচ্ছে, আমাদের দেশ তাদের মধ্যে অন্যতম। ভারতবর্ষ এই মুহূর্তে উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ তাই আমাদের প্রশিক্ষিত ব্যক্তির খুব প্রয়োজন। সমাবর্তনই শিক্ষার শেষ নয় বরং এটা আরও বৃহত্তর সূচনার প্রারম্ভিক মুহূর্ত।”

অরুন্ধতী ভট্টাচার্যই প্রথম মহিলা যিনি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন অরুন্ধতী ভট্টাচার্য্য তার বক্তৃতায় বলেন, “আমরা সকলেই জানি টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি এটা প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। ইউনিভার্সিটিরও দায়িত্ব নেওয়া উচিত যাতে বাংলার হারিয়ে যাওয়া শিক্ষার গরিমা পুনরুদ্ধার করা যায়।”

টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি তাদের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ পদ্মশ্রী বিবেক দেবরায় এবং সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহকে সাম্মানিক ‘ডি লিট’ উপাধিতে ভূষিত করেন। পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ বিবেক দেবরায় একাধারে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মন্ডলীর চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “আমি অত্যন্ত খুশি কারণ এরপর থেকে আমিও টেকনো ইন্ডিয়ার প্রাক্তনী হিসাবে চিহ্নিত হব।”

অধ্যক্ষ তার ভাষণে বলেন, “এই মুহূর্তে সারা পৃথিবীতে আমাদের ১০০ টি ক্যাম্পাস আছে। আমরা আরও উন্নত পরিকাঠামোর সাহায্যে নিজেদের সমৃদ্ধ করছি। আগামী ১০ বছরের মধ্যে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি বিশ্বের সেরা ১০ ইউনিভার্সিটির মধ্যে জায়গা করে নেবে।”

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দারিদ্র দূরীকরণ ও মানব উন্নয়নের লক্ষ্যে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাথে টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির মৌ-চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বিভিন্ন ক্ষেত্রের ১৯ জন পি.এইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন। ৩৬১ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও ১৩২৩ জন গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি লাভ করেন।

Reach The Perspective