আজ ‘জাতীয় চিকিৎসক দিবস’

1,666 total views, 2 views today

আজ ‘জাতীয় চিকিৎসক দিবস’ (National Doctors’ Day’)।
আজকের দিনেই পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বাংলার রূপকার, প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যুদিন। বিধানচন্দ্র রায়ের জন্ম ও মৃত্যু দিনটিকে ১৯৯১ সালে ভারত সরকার ‘জাতীয় চিকিৎসক দিবস (National Doctors’ Day) হিসাবে পালন করার কথা ঘোষণা করেন।

১৮৮২ সালের ১ জুলাই পাটনার বাঁকীপুরে জন্ম গ্রহণ করেন বিধানচন্দ্র রায়। তাঁর পিতার নাম প্রকাশচন্দ্র রায় ও মাতা অঘোরকামিনী দেবী।

১৯০৬ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এস.এস ডিগ্রি এবং ১৯১১ সালে ইংল্যান্ড থেকে এম.আর.সি.পি এবং এফ.আর.সি.এস ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিধানচন্দ্র রায় ১৯২৫ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ব্যারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ‘গ্র্যান্ড ওল্ডম্যান অফ বেঙ্গল’ সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। ১৯২৮ সালে তিনি অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটিতে নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিধান চন্দ্র রায়। ১৯৪৮ থেকে আমৃত্যু অর্থাৎ ১৯৬২ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দুবার কলকাতার মেয়র নির্বাচিত হন।

তাঁর পৃষ্ঠপোষকতাতেই দার্জিলিঙে দেশের প্রথম পর্বতারোহণ শিক্ষাকেন্দ্র , হলদিয়া নদী বন্দর, দুর্গাপুর ,সল্টলেক ,কল্যাণী,অশোকনগর ও হাব​ড়ার মত শহর গুলি গ​ড়ে ওঠে। এছাড়াও তিনি প্রথমবার কলকাতায় পাতাল রেল ও বজবজে তৈল শোধনাগার গ​ড়ে তুলতে সচেষ্ট হোন। তাঁরই উদ্যোগে ভারত সরকার ‘দন্ডকারণ্য’-এ শরণার্থী পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়।

সত্যজিত রায়ের পথের পাঁচালী চলচ্চিত্রের ব্যয়ভার তাঁর সরকার বহন করে। তিনি ১৯৬১ সালে ভারতের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘ভারতরত্নে’ ভূষিত হন।
১৯৬২ সালের ১লা জুলাই, জন্মদিনের দিনই বিধানচন্দ্র রায়ের মৃত্যু হয়।

এই বছরের জাতীয় ডক্টরস’ ডে’র থিম হলো “Zero tolerance to violence against doctorsand clinical establishment”.

Reach The Perspective